নামঃ শ্রীমাতী গাঙ্গারানী পাত্র
শ্বামীঃ মত্যুণ্জ্ঞয় পাত্র
গ্রামঃ দেউলপর
পওঃ কুলডাঙা বাজার
জেলাঃ হাওড়া

গাঙ্গাদির গ্লপ

গাঙ্গাদি আসুশ্তা কিন্তু তার মেয়ের কাছ থেকে শব ঘটনশনশোনা হলে।
প্রশ্ন করা হলে যে কবে থেকে কিভাবে গুরুদেবের শংগে যোগাযোগ  হয়েছিল। তার উত্তরে বলল খুব ছটবেলায় বিবহের আগেই গাঙ্গাদির দীক্ষা হয়েছিল। কারন গাঙ্গাদির বাড়ী মলিনাদির বাড়ীর কাছে ছিল।
এবং গাঙ্গাদির মা দীক্ষইত ছিলেন গুরুদেবের কাছে সেসুবত্র ধরে গাঙ্গাদিওগুরুদেবের  কাছে যেতেন
আস্তে আস্তে গুরুদেবের  স্নেহের পাত্রী হয়ে এবং দীক্ষিত হন। গাঙ্গাদি মানুস হিসেবে অত্যস্ত সরল ও বড় মানের মানুষ  ছিলেন। এইভাবে চলতে চলতে বিবাহ হলো কিন্তু সংসারে ম্ন ছিল না গাঙ্গাদির সব সময় পুজো আর পুজো
এতো তন্ময় হয়ে পূজো করতেন  যেক্ষি  (!) সংসারে কোনো  কিছুই খেয়াল থাকতো না বাচ্ছাকে দুধ খাওয়াতে ও ভূলে যেতা বা কাজে মন ছিলো না। এইসব কারনে গাঙ্গাদীর শাশুডী মঙ্গলচণ্ডীর ঘট নেয়ে পুকুরে ফেলে দিয়েছিলেন
তারপর থেকে ধীরে ধীরে শাশুডীর দটো চোখই। এইসব কারনে গাঙ্গাদীর শাশুডী মঙ্গলচণ্ডীর ঘট নেয়ে পুকুরে ফেলে দিয়েছিলেন। দগাঙ্গাদির মা দিক্ষীত ছিলেন গুরুদেবের কাছে।
গাঙ্গাদিও ছোটবেলায় মঙ্গলচন্ডীর মন্ত্রে দিক্ষীত হয়েছিলেন। অত্যন  ভক্তীমতী মহিলা ছিলেন। এত  তন্মায় হয়ে পূজো  করতেন যে, সংসারের কোন কিকেই খেয়াল থাকতো না।

গাঙ্গাদির বিয়ে হয়েছিল গাঙ্গাধরপুর নামক একটি গ্রাম। গাঙ্গাধরপুর থেকে রমাণাথপুরের দূরত প্রায় ৫০ কিলোমিটার। গাঙ্গাদির চাষে বেশ কিছু ফসল হতো।

বাবার প্রিয় সবজি ও থারার জিনিষ নিয়ে রমানাথপুর আশ্রমে পায়ে হেঁটে যেত এবং একদ্ম কিছু না খেয়ে।

আশ্রমে পৌছের "বারকোষে" বারে সব কিছু সাজিয়ে বাবার হাতে দিয়ে প্রনাম করে বাবার পা ঘুয়ে জল খেতো দিনের পর দিন এরকম করত।

এরকম একদিন চৈত্র বৈশাখ মাসে প্রখর রৌদের তাপ মথায় নিয়ে মাঠের উপর দিয়ে হাতে ভারী ভারী ব্যাগ নিয়ে হাটতে হাটতে।

রমানাথপুর যাচ্ছে বিশেষ কোন একটা জায়জায় পথ ঘুরে ফেরে সেই জায়গায় এসে জাচ্ছি চ্ছি জল তেস্টায় ছাতি ফেটে যাচ্ছে।

হাঁটতে হাঁটত রমানাথপুর যাচ্ছে বেশেষ একটা জায়গায় গেছে ঘুরে ফিরে সেই জায়গায় এসে যাচ্ছি। জল  তশ্নায় au (?) ফেটে যাচ্ছ।

নিজের প্রতি বিরক্ত হয়ে বেঁধে সামনে একটি পুকুরে জলে ঋাঁপ দিতে যাচ্ছে মনে মনে ভাবছে এ জীবন আর রাখব না। যেই পুকুরে ঋাঁপ দিতে যাবে এমন সময়ে একটি ব্রাম্ননের ছেলে এসে বলল "ওমা, তোমার কি হয়েছে গো?" "তুমি পথ হারিয়ে ফেলেছো? তোমার কস্ট হচ্ছে  তোমি কোথায় যাবে গো?"